🔍 কী বলছে সাম্প্রতিক আপডেট?
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের সময় নির্বাচন কমিশনের কাছে তথ্যগত অসঙ্গতি (Logical Discrepancy) ধরা পড়েছিল বিপুল সংখ্যক ভোটারের ক্ষেত্রে।
প্রথমে বলা হয়েছিল প্রায় ১ কোটি ৬৭ লক্ষ ভোটারের তথ্যে গরমিল রয়েছে।
পরে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষে।
সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, এই সংখ্যা আরও কমে বর্তমানে হয়েছে প্রায় ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার।
অর্থাৎ প্রায় ৪১ লক্ষ ৫১ হাজার ভোটারের নাম তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, যা অনেকটাই স্বস্তির খবর।
⚠️ কী ধরনের অসঙ্গতি ধরা পড়েছিল?
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী—
- এক ব্যক্তির সঙ্গে অস্বাভাবিকভাবে ৫–৬ জন ভোটার লিংক করা হয়েছে
- বাবার সঙ্গে সন্তানের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম
- আবার কোথাও সেই পার্থক্য ৫০ বছরের বেশি
- কোথাও ঠাকুরদা ও নাতির বয়সের হিসেবেও বড় অসামঞ্জস্য
এই ধরনের তথ্যগত সমস্যার কারণেই এতগুলি নাম চিহ্নিত করা হয়েছিল।
📌 দ্বিতীয় পর্যায়ে কাদের নোটিশ যেতে পারে?
দ্বিতীয় পর্যায়ে মূলত যেসব ক্ষেত্রে নোটিশ পাঠানো হতে পারে—
- যারা এসআইআর ফর্ম পূরণের সময় নিজের নাম না দিয়ে আত্মীয়ের নাম (বাবা, মা, দাদু, ঠাকুমা) উল্লেখ করেছেন
- যাদের ক্ষেত্রে একই অভিভাবকের নামে ছয়ের বেশি ভোটার যুক্ত হয়ে গেছে
- তথাকথিত প্রজেনি ম্যাপিং সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে এমন ভোটাররা
এই ধরনের প্রায় ২৪ লক্ষ ভোটারের জন্য নোটিশ প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
🧾 নোটিশ এলে কী করবেন?
এখানে ভয়ের কিছু নেই।
নির্বাচন কমিশন যে ১৩ ধরনের বৈধ নথির তালিকা দিয়েছে—
সেই তালিকার মধ্যে আপনার যদি বৈধ কাগজপত্র থাকে, তাহলে—
✔️ নোটিশে উল্লেখ করা তারিখ ও স্থানে
✔️ অরিজিনাল ডকুমেন্ট নিয়ে হাজির হবেন
✔️ যাচাই সম্পন্ন হলেই আপনার নাম ভোটার তালিকায় বহাল থাকবে
সমস্যা শুধুমাত্র তাদের ক্ষেত্রেই হতে পারে,
যারা কোনওভাবেই নিজেদের বৈধ পরিচয় প্রমাণ করতে পারবেন না।
✅ কাদের একেবারেই চিন্তার দরকার নেই?
- যাদের কোনও নোটিশ আসেনি
- যাদের কাছ থেকে কোনও অতিরিক্ত নথি চাওয়া হয়নি
তাদের জন্য কোনও ঝামেলা নেই।
এই ভোটারদের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে,
যা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হওয়ার কথা।
